কুরআনুল কারীম হচ্ছে সর্ব শেষ আসমানী কিতাব, যা বিশ্বজগতরে মহান প্রভু র্সবপ্রথম এবং র্সবাগ্রে নবী মুহাম্মদ মুস্তফাকে অবর্তীণ করছেলিনে, আল্লাহ তাঁর উপর বরকত র্বষণ করুন এবং তাঁকে শান্তি দান করুন। কুরআন তিলাওয়াত ও তার নির্দেশপালনে মানবজাতির সফলতা নেই। এর মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে পারে। যে ব্যক্তি এই কুরআনকে শিক্ষক ও সফলতা দাতা হসিবেে গ্রহণ করবে সে পরকালে সফলকাম হবে। তাই কুরআনরে সাথে আস্থা, ভালোবাসা ও ভক্তরি সর্ম্পক গড়ে তুলতে হবে।
পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কুরআনুল কারীম মানবজাতরি মহান কল্যাণ নয়, বরং এই মহান গ্রন্থে মানুষরে প্রতি যে কল্যাণ ও অনুগ্রহ দখোনো হয়ছেে তা দাবি করা হচ্ছে মানুষরে উচতি কুরআন কারীম ও নবী সর্ম্পকে জানার চষ্টো করা এবং কুরআনে সাক্ষ্য দওেয়া। একটি
কোরান এবং এর মাহাত্ম্য সর্ম্পকে জানার একটি উপায় হল এর নাম এবং এর শরিোনাম এবং গুণাবলী সাবধানে এবং দ্রুত বোঝা। তাছাড়া আমরা যদি কোরআনরে নাম ও শব্দরে র্অথ বুঝতে পারি তাহলে বুঝতে পারব কোরআনরে সাথে আমাদরে সর্ম্পক কতটা গভীর হওয়া দরকার।
আল-কুরআনে নাম এবং বশশিনোরে পরসংিখ্যান
কোরানে বভিন্নি শব্দ ও বাক্যাংশ রয়ছেে এবং কোরানে রয়ছেে অনকে শব্দ ও বাক্যাংশ। তার মধ্যে একটি বশিষ্যে এবং বশিষেণ। সব মালদিরে সংখ্যা প্রায় একশত হবে। অতঃপর পবত্রি হাদসি শরীফে এবং সালাফ, সাহাবা ও তাবযে়ীনদরে বাণীতে এর নাম বা গুণাবলী র্বণনা করা হয়ছে। তাফসীর গ্রন্থে ভূমকযি়ার ভূমকিা তুলে ধরা হয়ছে। এছাড়াও, ‘উলুমুল কুরআন’-এ পৃথক অধ্যায়ে এই বষিয়ে আলোচনা রয়ছেে এবং এর পাশাপাশি রূপবতী এই বষিয়ে একটি পৃথক গ্রন্থও রচনা করছনে।
ইমাম ইবনু জারীর তাবারী রহ., কুরআনে চারটি নাম উল্লখে করছেনে। যথা: আল-কুরআন, আল-কাতযি়াব, আল-ফুরকান এবং আয-করি। ওঙ্কে আবার এর সাথে যোগ করে ‘আটাঞ্জলি’ নামরে পঞ্চম রকটে। এছাড়াও, কোরানে কারমিাররে জন্য ব্যবহৃত অনকে বশিষেণ এবং ক্রযি়াবশিষেণকে বশিষ্যে হসিাবে ববিচেনা করা হয়। ফলে নামরে সংখ্যা কমছে।ে আবুল মালি শায়জালাহ (মৃত্যু: ৪৯৪ হজির)ি তার “আল-বুরহান ফি মুশকালযি়াতলি কুরআন” গ্রন্থে কুরআনে পঞ্চান্নটি নাম উল্লখে করছেনে। আলী ইবনু আহমাদ আল-হাররালী (মৃত্যু: ৬৩৮ হ)ি নব্বই বছর বয়সওে কুরআনে তার নাম উল্লখে করছেনে, উমর ইবনু মুহাম্মদ নাসাফী (৫৩৭ হ) তার তাফসরি গ্রন্থে এবং মাজদুদ্দনি ফায়রুজাবাদী (মৃত্যু: ৮১৭ হজির)ি এটি উল্লখে করছেনে। যাকে বলা হয় ‘বসাইরু জাবতি তমজি’। তাফসীরে (১/৮৮-৯৬) একশত নাম উল্লখে করা হয়েছে।
এ ক্ষত্রেে সত্য হলো, ভাষা ও উপভাষার স্বীকৃত নাঈম-আইন অনুসারী। ‘আল-কুরআন’, ‘আল-ফুরকান’, ‘আল-কাতযি়াব’, ‘আজাকরি’ এবং ‘আত্তানাযলি’ এই পাঁচটি শব্দ। কোরানরে প্রধান নাম। অন্য শব্দগুলো হলো কুরআনে সাফযি়াত বা বশষিন। এই পাঁচটি শব্দ খোদ কুরআনরে প্রথম আয়াতইে উল্লখে করা হয়ছে।ে আয়াতরে পররে শব্দগুলো লক্ষ্য করলে বোঝা যাবে য,ে উপরোক্ত শব্দগুলো কোরানে মূল নাম হসিবেে উল্লখে করা হয়ছেে এবং অন্যান্য বশিষেণগুলো আসলে উপরোক্ত নামরে মধ্যে প্রত্যয় বা প্রত্যয় হসিবেে উল্লখে করা হয়ছে।ে এই অনুচ্ছদেে ‘করমি’ শব্দ এবং ‘কুরআন মাজদি’-এর ‘মাজদি’ শব্দ।
কুরআনে এই নাম ও আয়াতগুলো খুবই গুরুত্বর্পূণ
পবত্রি কোরআন র্সবশক্তমিান আল্লাহর বাণী বা বাণী। আল্লাহ তায়ালা মহান যমেন তাঁর বাণী মহান। পবত্রি কোরানে অবর্তীণ আল্লাহর মূল নাম ছাড়াও ‘আল-আসমাউল হুসনা’ নামে পরচিতি আরকেটি নাম রয়ছেে এবং কুরআনে মহানবী (সা.) , তাঁর ‘মুহাম্মদ’ দযি়ে প্রকাশতি হয়ছেে এবং ‘আহমদ’ নাম ছাড়াও আরও সুন্দর ও সুন্দর নাম রয়ছেে এবং কোরআনে এমন অনকে নাম ও বাক্যাংশ রয়ছেে যা ঐশী বাণীর মাহাত্ম্য প্রকাশ করে।
নামরে ছড়া ও ব্যঞ্জনর্বণ
কুরআনরে প্রতটিি নামই কুরআনরে মাহাত্ম্য ও মাহাত্ম্য প্রকাশ কর।ে প্রতটিি নামই ব্যঞ্জনর্বণ। শব্দরে প্রতটিি নাম ঈশ্বররে কোনো না কোনো গুণরে প্রতি ইঙ্গতি কর।ে এই নামগুলো নছিক নাম নয়; বরং কুরআনে প্রশংসা, করুণা ও প্রশংসার নাম এসছেে
র্সবজ্ঞানী র্সবশক্তমিান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনরে পবত্রি র্ধমগ্রন্থে কোনো নামই র্অথহীন নয়, বরং প্রতটিি নামই তার নজিস্ব গুণাবলীতে র্অথবহ ও জাঁকজমকর্পূণ। এটতিে ভাষাগত কমনীয়তা এবং সাবলীলতা রয়ছে,ে তবে মানসকি এবং গভীর আবগে এবং তাগদিও রয়ছে।ে প্রকৃতপক্ষ,ে কুরআনে কারীম একটি মহান অলৌককি বা অলৌককি শব্দ। এর অভব্যিক্তি সাধারণ আরবি ক্যালগ্রিাফরি অভব্যিক্তি থকেে আলাদা এবং বশৈষ্ট্যিযুক্ত। এর প্রতটিি নাম অনন্য এবং গভীর র্অথবহ।
নচিে কুরআনরে নাম ও বশিষেণ সর্ম্পকে সংক্ষপেে আলোচনা করার চষ্টো করা হলো।
কথায় কথায় আল-কুরআন
কোরান শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে ‘মাসদার’ বা ‘সাবজক্টেভি’। এর প্রতশিব্দ হচ্ছে পড়া এবং পড়া। এর মূল: ق- ر- ء এই মূলের মূল বা প্রাথমকি র্অথ হল একত্রতি করা এবং সমন্বয় করা। অতঃপর তা পড়ত-েপড়তে ব্যবহার হতে থাক।ে প্রকৃতপক্ষ,ে পাঠ বা পাঠরে মাঝখানে জমায়তে এবং সমন্বয়রে অনুভূতি বদ্যিমান। কারণ ‘পড়া’ মানে র্বণ ও শব্দ একসঙ্গে উচ্চারণ করা। ১ প্রথম পাঁচটি আয়াত প্রকাশ করে